TEST BEFORE POST

BEST SECURED VPN [ONLY FOR BROWSING]



GET FREE BEST & MOST SECURED HIGH SPEED VPN
DOWNLOAD LINK: 2018 VERSION: http://bit.ly/BESTVPN2018
DOWNLOAD LINK: 2019 VERSION: http://bit.ly/BESTVPN2019

-------------------------------------


AFTER CREATING ACCOUNT YOU WILL GET 2GB
AFTER Confirming email YOU WILL GER 8GB
AFTER Tweet a post with this [GO TO LINK] link YOU WILL GET 5GB

SO, TOTAL 15GB YOU CAN USE FOR EVERY MONTH

FEATURES OF THE VPN


Simple Clients
Minimalist clients for all platforms that will make getting started a breeze

Large Network
Servers in over 55 countries and 100 cities

No Identifying Logs
We can't personally identify you based on IP and timestamp

Strongest Encryption
We use AES-256 cipher with SHA512 auth and a 4096-bit RSA key

Config Generators
Generate OpenVPN, IKEv2 and SOCKS configs for all your devices

Windflix
Unblock US and UK Netflix, no matter where you are

Use for Free
Generous free plans are available for those who are on a tight budget

Firewall
Blocks all connectivity outside the tunnel to eliminate all types of leaks

Flexible Connectivity
Connect via IKEv2, OpenVPN UDP, TCP or Stealth on a wide range of ports

Secure Hotspot
Turn your computer into a secure Wifi router

Proxy Gateway
Create a proxy server on your network for other devices

Cruise Control
Automatically pick the best location for you

Double Hop
Proxy your connection through any 2 servers on the Windscribe network

Ad Blocking
Blocks ads and trackers that follow you across the web

Timezone Spoofing
Changes your timezone so appear to be in the country you're connected to

Cookie Monster
Keeps track of cookies that are set, and deletes them on tab close

Split Personality
Randomly rotates your user agent to reduce the chance of fingerprinting

Secure.link
Generate secure links to expose tracking practices of websites

TOP 13 APP FOR STUDENTS


ছাত্রজীবনের প্রতিটা সেকটরে আমাদের চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ক্লাসের পড়া, এসাইনমেন্ট, এক্সাম, ফ্রেন্ড্রদের সাথে আড্ডা, বিভিন্ন প্রোগ্রাম, ফোরাম, গ্রুপিং! কত কিছু মেইনটেইন করতে হয় আমাদের!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবন টা একটু সহজ হলে!

এই সববিষয় গুলো মাথায় রেখে কিছু প্রয়োজনীয় এপের একটা লিস্ট বানিয়ে ফেললাম। চল দেখা যাক কি এমন গুরুত্বপূর্ণ এপ্স যা প্রতিটা স্টুডেন্টের থাকা উচিত?


১।  Group Chat!

আচ্ছা যদি এমন কোন এপ থাকত, যেখানে আনলিমিটেড ফাইল, টেক্সট, ডকুমেন্ট সেয়ার করা যেত! দেখতে যেন  Cool হয়! Messenger, Whatsapp, Viber, Skype  আর ভালো লাগেনা। সবাই ত ইউজ করে এগুলা। একটু ডিফ্রেন্ট কিছু চাই! তুমার চিন্তা ভাবনা যদি এমনটাই হয়, তবে ইউজ করতে পারো- "DISCORD"
অস্থির interface, coolest app ever!

সুবিধাঃ
১। Group Chat
২। Unlimited File Sharing (any type extenstion)
৩। Video Call, Voice Call (HD)
৪। hash tag আরো অনেক কিছু!

ত, নামিয়ে ফেলঃ


২। পারসোনাল নোটঃ

recomand করব Evernote ইউজ করতে। evernote এ তুমি যেকোন রকমের ফাইল+ গুরুত্ব পূর্ন কোন নোট লিখে রাখতে পারবে। পিসি বা তুমার smartphone যেটাই হোক, simple একটা account খুলে, same acoount দিয়ে তুমি যেকোন পিসি , smartphone যেখানে ইচ্ছা লগিন করে তুমার সেভ করা নোট গুলো দেখে নিতে পারো।
much more Similar as: GOOGLE  KEEP


৩। টাইমটেবিলঃ

ক্লাসের প্রথম দিন টাইমটেবিল টা হাতে পেয়ে আমাদের মনে প্রথম যে চিন্তাটা আসে, তা হলো এবার পড়ে ফাটিয়ে দিব। আজকে বাসায় গিয়েই একটা রুটিন করে ফেলব, কখন কোন সাবজেক্ট পড়ব, কখন ম্যাথ করব, কখন গেমস খেলব, কখন আড্ডা দিব। কাগজ কলম নিয়েই আমরা প্ল্যান বানানো শুরু করি। একটু think করত, যদি এই কাজটাই তুমি একটা এপের মাঝে করে ফেলতে পারো, কেমন হয়? যেখানে তুমার চাহিদা মত সব থাকবে, শুধু তুমার নিজের মত করে সাজিয়ে নেয়া।
তাহলে নামিয়ে ফেল, My Study Life


৪। Office - ডকুমেন্ট বা প্রেজেন্টেশনঃ

office এর কথা চিন্তা করলেই মাথায় চলে আসে micrOsoft office, Word, PowerPoint, Excell! তবে MS office এর এতগুলা version, অনেকেই confused হয়ে যাই কোন version টা use করব। তাছাড়া smartphone গুলোর জন্য কি আলাদা কিছু use করা যায় কিনা?

যাইহোক, তোমরা জান কিনা জানিনা, MS office 2016 Education যে version এটা শুধুমাত্র .edu domain মানে স্টুডেন্টস, টিচারদের জন্য বানানো হয়েছে। তুমার যদি কোন .edu ডোমেইন- এর email থাকে, তাহলে $149.99 ডলারের এই সফটওয়্যার টি তুমি ফ্রি তে পেয়ে যাবে। আর না থাকলে KMS বা reloader ত আছেই, তাইনা?

যারা android user তাদের জন্য best OFFICE SUITE Pro
যারা IOS/MAC user তারা Polaris বা MS Office use করতে পারো
আর Linux user দের এর জন্য Libre best


৫। বই পড়ার জন্যঃ

বর্তমানে pdf এবং epub এই দুটি ফরমেটের বই খুব দেখা যাচ্ছে। আর এপ স্টোর গুলোতে pdf reader এর অভাব নেই। এখন এত কিছুর ভীড়ে আমাদের দরকার যেটি সবচেয়ে ভালো, এবং চোখের প্রটেক্ট করে এমন একটি pdf রিডার।

পিসি ইউজার দের জন্য adobe was best, এখন adobe এর চেয়েও ভালো অনেক পিডিএফ রিডার রয়েছে। আমি recomand করব- Sumatra PDF ইউজ করতে। এটি খুব ফাস্ট এবং simple!

যারা android user তাদের জন্য- Moon Reader Pro টা খুব ভালো, যেকোন ফরমেট সাপোর্ট করে। আর যদি simple চাও ত, GOOGLE PDF Reader ভালো।


৬। ক্লাসনোটঃ

অনেক সময় ক্লাসে কোন নোটের ফটো নিতে হয়, কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখা যায় ফটোগুলো এক একট ভিন্ন ভিন্ন সাইজের হয়ে গিয়েছে। দেখতে কেমন বিচ্ছিরি লাগে। যদি তুমি এই নোট গুলোই PDF বা বই আকারে পেতে, কত সুবিধা হতো তাইনা?
এজন্য তুমি use করতে পারো, CamScanner


৭। ম্যাথ ক্যালকুলেটরঃ 

ধর তুমি ম্যাথ এক্সাম দিয়ে বের হলে, এখন তুমি জান না ৬নাম্বার question টার answer কত! বা ফ্রেন্ডরাও Confusion এ রয়েছে। এখন যদি এমন হয়, সেই question টার উপরে তুমার mobile টি ধরা মাত্রই তুমার answer স্ক্রিনে চলে এসেছে, তাহলে কেমন হয়?
তাহলে ডাওনলোড করে নাওঃ PHOTO MATH 

যদি এমন কোন এপ পাওয়া যেত, যেটা দেখতে হুবহু Casio Scientific Calculator  এর মত হবে, তাহলে কেমন হয়? তাহলে এখনি নিয়ে নাও Casio MS-991



৮। ডকুমেন্ট সেয়ারিংঃ

অনেক সময় পিসি তে মোবাইল থেকে অনেক ডকুমেন্ট ট্রান্সফার করতে হয়। অনেকেই ডেটা ক্যাবল ইউজ করি, অনেকেই shareit ইউজ করি, তবে যদি আরেকটু Smart কিছু ইউজ করা যেত, ধর তুমার ফোনের যেকোন ফাইলস তুমি ট্রান্সফার করার আগেই পিসি দিয়ে দেখে নিতে পারছো, সেটা হোক অডিও, ভিডিও বা ফটো!
তাহলে নিয়ে নাওঃ AirDroid

তুমার ফোনের হটসপট কানেক্ট করেই বা এক -ই LAN এর কানেকশনে ফ্রি তে যেকোন কিছু সেয়ার করতে পারবে।
আর যদি Android to Android বা IOS হয় তাহলে shareit ইউজ করতে পারো।


৯। নিউজ/পত্রিকাঃ

তুমি যে স্ট্রিমের স্টুডেন্ট ই হও না কেন, তুমার  নিশ্চই প্রিয় কিছু নিউজ সাইট বা ওয়েব সাইট রয়েছে, যেগুলোর আপডেট তুমি মিস করতে চাওনা।
ধর, আমার ইন্টারেষ্টের কথা বলি, আমি টেকনোলজি বা গিক টেক রিলেটেড সাইট খুব পছন্দ করি, হিসেব করলে সাইটগুলোর সংখ্যা কয়েকশত হয়ে যাবে।  এখন এটা ত অসম্ভব, প্রতিটা সাইটে নিয়মিত সার্ফ করা। তাই আমি সেসব সাইট গুলোর address একটা এপের ভেতর ইন্সার্ট করে দিয়েছি, এখন নতুন যে পোষ্ট ই হোক না কেন, আমি সাথে সাথে সেটি পড়তে পারছি, কষ্ট করে বার বার সেই সাইটে ভিজিট করতে হচ্ছেনা।

এতক্ষন যে বিষয় টা  নিয়ে কথা বললাম, সেটা হলো RSS FEED. RSS FEED কি সেটা গুগল করলেই বুঝে যাবে।

প্রথমে তুমাকে feed.ly থেকে একটা account খুলে নিতে হবে, তারপর সেখানে তুমার প্রিয় ওয়েব সাইট গুলো এড করে দাও, ব্যাস, এখন তুমি যদি PC USER হও, তাহলে নামিয়ে নাও, NEXTGEN

আর যদি মোবাইল ইউজার হও, নামিয়ে নাও, FEEDLY

এরপর তুমার সেই feedlyএর যে পাসওয়ার্ড আর ইমেইল ছিল সেটি দিয়ে feedly বা NEXTGEN এ লগ ইন করে নাও।


১০। স্ক্রিনশটঃ

যারা পিসি ইউজার তাদের জন্য আলাদা করে কোন screenshot এপ নেয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ব্রাওজারের জন্য মাঝে মাঝে পুরো website এর স্ক্রিনশট নেয়ার প্রয়োজন হয়। এজন্য বেষ্ট হলো, 1Click 

যারা android user তাদের ফোনের ডেফল্ট কিছু কি চাপলেই স্ক্রিনশট হয়ে যায়, তবে মাঝে মাঝে Customize করার প্রয়োজন পড়ে। কোন কিছু হাইলাইটের জন্য বা টেক্সট-ইমুজি এড করার জন্য, তাই ইউজ করতে পারোঃ FooView
এই এপ দিয়ে তুমি মাল্টিপল টেক্সট কপি করার পর সব কপি করা TEXT গুলো ক্লিপ বোর্ডের মত থেকে যাবে।


১১। EYE-Protector:

অনেকেই laptop বা mobile এ ঘন্টার পড় ঘন্টা বই পরে কাটিয়ে দেয়। দীর্ঘক্ষণ এভাবে Display-এর দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের বারো-টা বেজে যায়। তাই ইউস করতে পারো এই software টি।
যারা windows 10 USER, তাদের জন্য default করে night mode option দিয়ে রাখা হয়েছে (after 1709 version)

যারা Mac, win7, 8, 8,1 ইউজার তারা ইউজ করতে পারো, Flux
আর android user জন্যঃ twillight Pro


১২। মিডিয়া প্লেয়ারঃ

দিনের অনেকটা সময় আমরা Youtube দেখে কাটাই, অনেকেই টিভি দেখি, গান শুনি বা মুভি দেখি।  যদি এই সবগুলা ফিচার একসাথে পাওয়া যায়, কেমন হয়?
এজন্য Download করে নাও, Cherry Player

এটি দিয়ে তুমি Youtube, VK, twitch, billboard, BBC, lastfm, IPTV বা তুমার কাস্টম যেকোন মিডিয়া তুমি প্লে করতে পারবে। TV এর জন্য অনলাইন থেকে m3u8 চ্যানেল লিস্ট খুজে নিতে হবে।


১৩। অক্সফোর্ড ডিকশনারীঃ 9th Edition

এই ডিকশনারী সম্পর্কে ডিটেল কিছু বলার নেই। সবাই জানো এটা world এর best ডিকশনারী। পুরো ডেটাবেজ ডাওনলোড করে নাও।
 Android user রা install এর পর Data file টিকে Phone Memory>Android>Data তে পেস্ট করে ডাও।
IOS User রা শুধু ইন্সটল করলেই হবে।




টরেন্ট কি এবং কিভাবে সিকিউর উপায়ে টরেন্ট থেকে ডাওনলোড করবেন?


টরেন্ট কি এবং কিভাবে সিকিউর উপায়ে টরেন্ট থেকে ডাওনলোড করবেন?

আমরা ইন্টারনেট থেকে যেসব ডাটা ডাউনলোড করি তা বিভিন্ন প্রোটকলের মাধ্যমে ডাউনলোড হয়।
বর্তমানে ফাইল শেয়ার এর জন্য জনপ্রিয় মাধ্যম হলো টরেন্ট। কি নেই এখানে? আপনি যা চাইবেন তার সব কিছুই পাবেন টরেন্ট এর মাধ্যমে। গেমস, মুভি, মিউজিক ভিডিও, সফটওয়ার আরো কত কি।

২০০১ সালে পাইথন প্রোগ্রামার ব্রাম কোহেন বিট টরেন্ট এর ধারণার উদ্ভাবন করেন । ২০০৪ সালের দিকে টরেন্ট জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে এবং ২০০৯ সালে টরেন্ট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাড়ায় তখনকার Facebook ও Youtube এর ব্যবহারকারীর যোগফলের সমান ।


প্রথমেই জেনে নিই কয়েকটি শব্দার্থ যা টরেন্ট এ ব্যাবহার করা হয়।

Torrent কি : P2P ফাইল শেয়ার ।
P2P কি : Peer 2 Peer .
Peer কি : যে একি সময়ে ডাওনলোড ও আপলোড করে।
Seeds কি: যে আপলোড করে।
Client কি : যে সফটওয়ারের মাধ্যমে টরেন্ট ডাওনলোড করা হয়।
Tracker কি : যে সার্ভারে টরেন্ট ফাইলটা রাখা হয় অর্থাৎ ট্র্যাকার হলো মাধ্যম। 

টরেন্ট দিয়ে যে ফাইলটা নামাবেন সেটার নিজস্ব কোন সার্ভার নেই। সে ফাইলটা আসছে আপনার মতই কারো পিসি থেকে। আপনি যখন কোন ফাইল ডাওনলোড করবেন, ঠিক একই সময় সে ফাইলের ডাওনলোড করা অংশ টুকু অন্য একজন আপনার পিসি থেকে নিতে থাকবে, যেমনটা আপনি ওর পিসি থেকে নামাচ্ছেন।
 প্রথমে একজন কিছু ফাইল বা ডাটা নিয়ে একটি টরেন্ট ফাইল বানায়। এই টরেন্ট ফাইলে থাকে ওই ডাটা গুলোর তথ্য যে কি কি, কোন ডাটা এবং সেটা তার কম্পিউটারের কোন লোকেশন থেকে নেয়া হবে। সেটা তৈরী করার পর একটি টরেন্ট ডাউনলোডার সাইট এ সাবমিট করা হয় আর সেখান থেকে শুধু টরেন্ট ফাইলটি ডাউনলোড করতে হয়। এবং টরেন্ট ডাউনলোডার সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ডাটা গুলো ডাউনলোড শুরু হয়।

টরেন্ট এর ডাওনলোডের গতি শুধু আপনার নেটের গতির উপর নির্ভর করে না। ধরে নিচ্ছি আপনার ২এমবিপিএস নেট কানেকশন আছে। আপনার নরমাল ডাওনলোড গতি হওয়া উচিৎ ১এমবিপিএস থেকে ২এমবি পিএস। কিন্তু আপনি টরেন্ট সে গতি নাও পেতে পারেন।

যত বেশী Seeds ও Peers পাবেন তত বেশী গতি পাবেন ডাওনলোড এ। Seeds ও Peers রা যদি স্লো গতির নেট ইউজ করে, তাহলেও আপনি ডাওনলোড গতি বেশী পাবেন না।

অন্য দিকে আপনি একজন বা দুইজন Seeds ও Peers পেয়েছেন, তাদের নেটের গতি বেশী হলে Seeds ও Peers কম হওয়া সত্বেও আপনি ডাওনলোড গতি ভাল পাবেন।



টরেন্টের সুবিধা
১ । যে কোন ফাইল পাওয়া যায় ।
২ । টরেন্ট ডাউনলোডের টাকা লাগে না ।
৩ । যতবার ইচ্ছা রিজিউম করে রাখা যায় ।
৪ । টরেন্ট ডাউনলোডারও ফ্রিতে পাওয়া যায় ।
৫ । Peer বেশি থাকলে ডাউনলোডে অনেক স্পীড পাওয়া যায় ।


টরেন্টের অসুবিধা
১ ।  যেহেতো ফাইলগুলো অন্য কোন ইউজারের পিসি থেকে আসছে, তার পিসিতে ভাইরাস থাকলে সে ফাইলের সাথে আপনার পিসিতেও ভাইরাস আক্রমন করতে পারে।
২ । Peer কম থাকলে স্পীড কম হয় ।
৩। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে টরেন্ট এর উপর আইন আছে, আমাদের দেশে সরকার থেকে এখনও সেরকম পদক্ষেপ নেয় নি, তবে অন্যান্য দেশে, যেমন, USA, UK, এমন কি India তেও যদি কেও টরেন্ট ইউজ করে, তবে ধরা পড়লে ১থেকে ৬বছরের জেল, এবং ৩-৬লাখ টাকা জড়িমানা হবে।

আমাদের দেশে আইন যদিও তেমন করা নয় এক্ষেত্রে, তবে প্রটেকশন ছাড়া টরেন্ট ইউজ করলে আপনার আইপি ব্লক করে দিতে পারে ISP. তাই বলব, security এর জন্য VPN ইউজ করুন। এতে স্পিড ও ভালো পাবেন, কেউ জানবেও না।


সতর্কতাঃ
 টরেন্ট ডাওনলোড করার আগে কয়েকটা কথা আপনাকে মনে রাখতে হবে। যেহেতো ফাইলগুলো অন্য কোন ইউজারের পিসি থেকে আসছে, তার পিসিতে ভাইরাস থাকলে সে ফাইলের সাথে আপনার পিসিতেও ভাইরাস আক্রমন করতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।
১/ ভাল এন্টিভাইরাস সফটওয়ার ব্যাবহার করুন।
২/ এন্টি ভাইরাস নিয়মিত আপডেট করুনএবং সে সময় এন্টিবাইরাস এনাবল রাখুন।
৩/ টরেন্ট ফাইলের সাথে দেয়া সন্দেহজনক কোন সাইট এ যাবেন না। কারন সে সাইট গুলোতে ভাইরাস থাকে। (সব ফাইলে থাকে না)
৪/ আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটা ছারা অন্য ফাইলে ডাবল ক্লিক করবেন না। এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে সন্দেহ মুক্ত হতে পারেন।
৫/ ফাইলটা পুরোপুরি ডাওনলোড হওয়া না পর্যন্ত রিনেম বা মুভ করবেন না।
৬/ মুভি ফাইল গুলো অনেক সময় অর্ধেক ডাওনলোড হলে প্লে করা যায়, এ ক্ষেত্রে অনেক সময় প্লে করলে সে ফাইলটা করাপ্ট হয়ে যায় এবং পরে আর ডাওনলোড হয় না। 



যাই হোক এবার আসি যেসব সাইট থেকে টরেন্ট ডাওনলোড করা হয়। 

আমার প্রিয় টরেন্ট সাইটঃ
http://1337x.to
https://yts.ag
http://thepiratebay.org/
http://rarbg.to/
https://www.limetorrents.cc/
https://torrentz2.eu/
http://eztv.ag/
https://nyaa.si/
https://torrents.me/
https://zooqle.com/
https://idope.se/
https://extratorrent.cd/
https://katcr.co/
https://www.torrentfunk.com/
https://www.torlock.com/
https://www.skytorrents.in/
http://isohunt.com/
http://www.mininova.org/
http://www.torrentreactor.net/ 
more update: https://www.lifewire.com/search?q=Top+Torrent+Sites

কিভাবে ডাওনলোড করবেন?
উপরের যেকোন একটা সাইটে গিয়ে(অবশ্যই ভিপিএন ইউজ করে) আপনার কাঙ্খিত ফাইল টি সার্চ করে খুজে নিন,
ধরুন, আপনি Spiderman মুভি ডাওনলোড করবেন, সার্চকরুন spiderman movie 720p বা 1080p
দেখবেন, অনেকগুলা রেজাল্ট এসেছে, এখন প্রতিটা রেজাল্টের মধ্যে আপনাকে ভালো প্রিন্ট টি কে খুজে নিতে হবে, মুভির প্রিন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে যান।
ভালো প্রিন্ট পেলেন কয়েকটা, এবার সেই ভালো কয়েকটা থেকে দেখুন, seedr leecr বেশি আছে এমন ফাইল কোনটা, এটাও পেয়ে গেলেন, এবার, ফাইলটির নামের উপর ক্লিক করে, ডিটেইলস এ যান, ব্যাস, এখন খুজে বের করুন, magnet বা Download torrent কোথায় লেখা আছে?
পেলেন?

এবার নিচের কাজ শুরু করুনঃ 

ডাওনলোডের দুইটা উপায় আছে, একটা হলো সার্ভার সফটওয়্যার আরেকটা হলো ডাওনলোডেড সফটওয়্যার।

সার্ভার সফটওয়্যার


সার্ভার সফটওয়্যারের কিছু website:
1. http://seedr.cc
2. https://www.furk.net (invitation code: 6KOTDPVSH)
3. https://zbigz.com
4. http://www.putdrive.com
5. http://bytebx.com
6. https://btcloud.io
7. https://www.pcloud.com

এখানে প্রথম তিনটি আমি সবসময় ইউজ করি, seedr.cc তে সর্বোচ্চ স্টোরেজ লিমিট ২.৫জিবি। এত লাগেনা যদিও। আপনার একটা মুভি সাইজ যদি ২জিবি বা ২.৫জিবি হয়, এখানে আগে সেটা আপলোড করে দিন, তারপর ডাওনলোড শেষ করে, সেটা অনলাইন থেকে ডিলিট করে আবার অন্য কোন মুভি বা যাই হোক রাখতে পারবেন।
Furk.net এটা আনলিমিটেড। এটাতে একাউন্ড খোলার সময় বা ব্যাবহার করার সময় কোন রকম আইপি চেঞ্জ বা ভিপিএন ইউজ করবেন না। করলে ব্লক খাবেন। আপনি ভিপিএন দিয়ে টরেন্ট সাইট থেকে টরেন্ট কিট টা ডাওনলোড করে নিন, বা মেগনেট টা নিয়ে নিন, তারপর ভিপিএন অফ করে furk এ গিয়ে ডাওনলোড করুন।

বাকিগুলো ও সেইম, ইউজ করলেই বুঝবেন।

সার্ভার সফটওয়্যারের সুবিধাঃ
১। সবচেয়ে নিরাপদ।
২। vpn লাগে না।
৩। ৫-১০০০এম্বিপিএস স্পিড
৪। ডাইরেক্ট ডাওনলোড করতে পারবেন, আপনার ফুল স্পিড দিয়ে।

সার্ভার সফটওয়্যারের অসুবিধাঃ
১। বড় ফাইল নামানো যায় না।
২। ডাইরেক্ট লিংক ৬-১২ঘন্টার মধ্যে এক্সপায়ার হয়ে যায়।



ডাওনলোডেড সফটওয়্যারঃ

ধরে নিচ্ছি আপনি টরেন্ট ক্লাইন্ট হিসেবে Utorrent বা vuze ব্যাবহার করছেন। এখন আর কি, জাস্ট টরেন্ট সাইট থেকে আপনার যা দরকার তা সার্চ করে, ফাইলটার মেগনেট লিংক বা টরেন্ট কিট টি আপনার ইন্সটল করা সফটওয়ার এ দিয়ে দিন, ব্যাস।


সতর্কতাঃ
VPN USE করুন।

সুবিধাঃ
যে কোন সাইজের ফাইল নামানো যায়, যত বড়ই হোক না কেন।

অসুবিধাঃ
ডাওনলোড স্পিড খুব স্লো।

ম্যালওয়ার এবং ভাইরাস দূর করুন খুব সহজে


মাঝে মাঝে আমাদের কম্পিউটার খুব বেশি স্লো হয়ে যায়, আমরা ভাইরাসের থেকে আমাদের পিসি প্রটেক্ট করতে এন্টি ভাইরাস ইউজ করি, কিন্তু আপনি জানেন কি আপনার এন্টি ভাইরাস কতটুকু আপনাকে প্রটেকশন দিচ্ছে?

তাই যখন ই আমাদের পিসি স্লো হয়ে যায়, আমরা নতুন করে OS দেই, এটার কোন প্রয়োজন নেই, কম্পিউটার ও ল্যাপ্টপের উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়া ছাড়া ভাইরাস, ওয়ার্ম, এডওয়ার, স্পাইওয়ার ও ট্রজান আক্রান্ত উইন্ডোজের সমস্যা দূর করুন করতে পারবেন। এজন্য মাত্র তিনটি সফটওয়্যার আপনাকে ইউজ করতে হবে।

১। এন্টি ভাইরাস
২। এন্টি ম্যালওয়ার
৩। ইউএসবি সিকিউরিটি

কেন জন্য এই সফটওয়্যার গুলো প্রয়োজন
১) কোন কারন ছারাই আমার পিসির র‍্যাম ও প্রসেসর খুব বেশি পরিমানে ব্যবহার হচ্ছে, পিসি মারাত্তক ভাবে স্লো হয়ে গেছে ও প্রসেসরের ফ্যান খুব জোরে ঘুরছে, কোন ফাইল বা উইন্ডোজ ওপেন হতে যথেষ্ট সময় নিচ্ছে, মোট কথা সিস্টেম পুরাপুরি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে গেছে, নতুন এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করলেও কোন ভাইরাস পায় না আর পেলেও তা ডিলেট করতে বা মারতে পারছে না হ্যাং হয়ে যাচ্ছে। আবার এই এন্টিভাইরাস আপনার প্রোগ্রাম ফাইল সব ডিলেট করে দিচ্ছে ভাইরাস বলে। কিন্তু এই মূহূর্তে সেটাপ দেওয়া আপনার জন্য ইম্পসিবল। কারন অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে।
২) আপনার কম্পিউটার শর্টকাট ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত , কোন মতেই তা রিমুভ করতে পারছেন না
৩) মজিলা বা গুগল ক্রোমে কোন ওয়েবসাইট বারুজ করতে গেলেই কোন কারন ছাড়া অনেকগুলো বিজ্ঞাপন ট্যাব ওপেন হয়ে যাচ্ছে যা খুবই বিরক্তিকর

উপরের সমস্যা গুলোর জন্য আপনি উইন্ডোজ সেটাপ দিলেন। কিন্তু কয়েকদিন পর দেখলেন আবার একই সমস্যা !!! আসলে উইন্ডোজ সেটাপ দিলে শুধু সিস্টেম ড্রাইভ অর্থাৎ যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা আছে সেটি ফরম্যাট হয়। অন্য ড্রাইভগুলো অপরিবর্তিত থাকে। ফলে সিস্টেম ড্রাইভে যদি ভাইরাস থাকে, তা ডিলিট হয়ে যায়, কিন্তু অন্য ড্রাইভের ভাইরাস গুলো আগের মতই পিসিতে সংসার বেঁধে বসে থাকে। তার উপর এসব ভাইরাস যদি হয় এতই মারাত্বক যে, তার জন্য এন্টিভাইরাসই ইন্সটল করা যায় না, তাহলে পিসির এসব ভাইরাস পিসিতেই থাকবে।

প্রথমে আপনাদের জানার জন্য কিছু ব্যাসিকঃ
ভাইরাসের লক্ষণ –
১. কম্পিউটার বুট হতে বেশি সময় নেয়া।
২. কোন প্রোগ্রাম লোড হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয়া।
৩. exe ফাইল করাপ্টেড হওয়া।
৪. কম্পিউটার অন করতেই বা চলতে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিত error মেসেজ দেখানো।
৫. ফোল্ডার অথবা ফাইলের নামের অনুরুপ অহেতুক একটি exe বা এক্সিকিউটিভ ফাইল তৈরি করা।
৬. ফোল্ডার অপশন ডিজেবল কিংবা হাইড হয়ে যাওয়া।
৭. কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়া।
৮. কোন ফাইল ফোল্ডার হাইড বা সুপার হাইড হয়ে যাওয়া যা প্রোপার্টিজ থেকে আন হাইড করা যায় না।
৯. টাস্ক ম্যানেজার কাজ না করা।


যে ভাবে ভাইরাস ছড়ায় –
১. পেন-ড্রাইভ, মেমোরি কার্ড, সিডি/ডিভিডি, হার্ডডিস্ক ইত্যাদির মাধ্যমে ডেটা বা কোন তথ্যের আদান প্রদান করলে।
২. পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করলে।
৩. ইন্টারনেট, ই-মেইল বা এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সংযোগের কারণে।
৪. ভাইরাস আক্রান্ত ফাইলে দুই ক্লিক করলে বা চালানোর চেষ্টা করলে।


ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য কিছু সাবধানতা –
১. কোন ফাইল অন্য কম্পিউটার হতে কপি করে আনা হলে বা ইন্টারনেট হতে ডাউনলোড করা হলে সেটা এন্টি-ভাইরাসের মাধ্যমে স্ক্যান করা উচিত।
২. যে কোন ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করা উচিত নয় ...
বিশ্বাস্ত বা নামকরা সাইট ছাড়া অন্য কোন সাইট থেকে নামানো উচিত নয়
৩. অটোরান বন্ধ রাখা উচিত।
৪. স্বয়ংক্রিয় ব্যাচ (Autoexec.bat) ফাইলে ভাইরাস প্রতিরোধক প্রোগ্রাম সংযোজন করতে হবে। এতে কম্পিউটার প্রতিবার অন হওয়ার পর এবং বাইরের কোন ড্রাইভ প্লাগ করার সাথে সাথে ভাইরাস চেক করবে।
৫. যখন পেন-ড্রাইভ দিয়ে কোন ডাটা আদান প্রদান করার প্রয়োজন হয় তখন তা জিপ (zip) করে পেন-ড্রাইভে ভরতে হবে (সফটওয়্যার হলে অবশ্যই জিপ করতে হবে)। কারণ জিপ করা ফাইলে ভাইরাস ঢুকতে পারে না।

এখন চলুন আগে এন্টি ভাইরাস টি নিয়ে নেই।



নিচের লিস্ট টি দেখুনঃ

তো কি মনে হচ্ছে?
mcAfee টা ভালো, তাই ত?
 হ্যাঁ, আর আমাদের একটা বাজে অভ্যাস আছে, আমরা খুজি কোথায় ক্র্যাক পাওয়া যাবে, আপনি কি জানেন ক্র্যাক করলে সেই সফটওয়্যার টির কিছু অপশন বন্ধ করে দিতে হয়, এতে সফটওয়্যার এর নিজের প্রটেকশন ই কমে যায়, কিন্তু কি আর করা, টাকা দিয়ে কেনা টা যে আমাদের মানায়া না। 
যাইহোক, mcAfee আপনি ফ্রি তে ৬মাস পাবেন, পুরো ফুল ভারশন সাথে সব প্রিমিয়াম ফিচার। 
কিন্তু অফিসিয়াল লিংক থেকে এটা সম্ভব হচ্ছে না, তাই তাদের সার্ভারের একটা হিডেন লিংক থেকে আপনাকে ইউজ করতে হবে।

mcAfee
or

লিংকে গিয়ে আপনার ইমেইল ইনফো দিয়ে ৬মাস প্রিমিয়াম এক্টিভ করে নিন। আর এর জন্য কোন ক্র্যাক লাগবেনা।


এখন চলুন এন্টি ম্যালওয়ার টা নিয়ে নেই।


আপনি যদি সাধারন ইউজার হোন, তাহলে আপনার জন্য
GridinSoft Anti-Malware

ইন্সটল প্রক্রিয়াঃ
-----------
Disable or Pause antivirus protection
Extract rar file 4times
Password: rialms
Install Program.
After Install Don't Start/Lunch Program

Run patch as Administrator
Apply the patch.
run reg.reg file

১) স্বাভাবিক নিয়মে ইন্সটল করুন শুধু ফিনিশ দেওয়ার আগে (Lunch Program) বক্স অপশন থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন ... অর্থাৎ Don't Start / Lunch Program
২) আপনার পিসি তে কোন এন্টিভাইরাস থাকলে তা কিছু সময়ের জন্য ডিজাবল বা অফ করে দিন
৩) এরপর প্যাচ ফাইল ইন্সটল ফোল্ডারে কপি করে নিয়ে যান এবং Run as an Administrator (প্যাচ ফাইলে ক্লিক করে রাইট বাটন ক্লিক করলে এই অপশন পাবেন) এর মাধ্যমে ওপেন করুন জাস্ট প্যাচ এ ক্লিক করুন আপনার সফটওয়্যার ফুল ভার্সন হয়ে গেছে ...

নোটঃ ডাটা আপডেট করবেন কিন্তু কখনো সফটওয়্যারটি আপডেট করবেন না চাইলেও না।




আপনি যদি advanced user হোন, তাহলে আপনার জন্য
SpyHunter

ইন্সটল প্রক্রিয়াঃ
-----------
Disable or Pause antivirus protection
Extract rar file 4times
Password: rialms
Install Program.
After Install Don't Start/Lunch Program
copy SpyHunter4.exe from crack folder
paste SpyHunter4.exe on C:\Program Files (x86)\Enigma Software Group\SpyHunter
turn off update from SpyHunter settings
Note:
SpyHunter খুব শক্তিশালী software, এটি দিয়ে স্ক্যান করার আগে, আপনার বর্তমান windows এর একটি backup করে নিবেন, এবং pendrive এ windows টি bootable করে নিবেন। যদি scan করে fix করার পর windows লোড না হয়, তখন power button এ প্রেস করে পিসি বন্ধ করে দিবেন, তারপর bootable pendrive টি ঢুকিয়ে boot option এ যাবেন। এরপর যখন windows install অপশন আসবে, আপনি CMD তে ঢুকে নিচের কোড দুটি লিখবেন, ব্যাস, restart দিলেই সব আগের মত ঠিক হয়ে যাবে, আপনার কোন install করা software বা ফাইল কিছুই ডিলেট হবে না।



\

এখন চলুন ইউএসবি সিকিউরিটি টি নিয়ে নেই

পেন্ড্রাইভ ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকুন পিসি কে সুস্থ রাখুন অর্থাৎ পেন্ড্রাইভ , ডিভিডি ও অন্য যে কোন রিমুভাল ড্রাইভ দ্বারা আর কোন ভাইরাস আক্রান্ত হবে না


এর জন্য লেটেস্ট ইউএসবি ডিস্ক সিকুরিটি ৬.৫ প্রি এক্টিভেইট সাইলেন্ট ইন্সটলার ও লাইফটাইম ফুল ভার্সন ডাউনলোড করুন..জাস্ট ক্লিক এন্ড ইন্সটল ফুল ভার্সন ...ক্রাক বা প্যাচ করার ঝামিলা কোন নেই...

এ ছাড়া আপনার USB পোর্ট লক করতে পারবেন অর্থাৎ কেউ আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড ছাড়া আপনার কম্পিউটার থেকে কোন ডাটা ইউএসবি তে সেন্ড করতে পারবে না ...



পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার ব্যাপারটি নতুন কোন সমস্যা নয়। এই

ভাইরাসগুলোর যন্ত্রনায় অনেকেই প্রচন্ড বিরক্ত। পেনড্রাইভের মাধ্যমে যে ভাইরাসগুলো ছড়ায় সেগুলো বেশিরভাগই ট্রোজান জেনারেশনের। এগুলোকে সাধারনত ওয়ার্ম বলা হয়। এই ওয়ার্মগুলোর মধ্যে কোন কোনটি আপনার পিসির উপর একসেসকে ইন্টারনেটে উন্মুক্ত করে দেয়। এছাড়া ফোল্ডার অপশন গায়েব হওয়া, হিডেন

ফাইল শো না করা অথবা কোন নির্দিষ্ট সিস্টেম ফোল্ডার একসেস করতে না দেওয়া কিংবা রেজিষ্ট্রি এডিটর বা সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি খুলতে না দেয়া এই ভাইরাসগুলোর খুব সাধারন লীলা। অনেকেই অনেক এন্টিভাইরাস ব্যবহার করেও মাঝে মাঝে এই সমস্যা সমাধানকরতে পারেন না। এই ভাইরাসগুলো কখন ঢুকলো তাও বুঝতে পারেন না অনেকে।

উইন্ডোজে বাই ডিফল্ট অটোরান সার্ভিস চালু করা থাকে। ফলে সিডিরোম বা ডিভিডিরোম ড্রাইভে ডিস্ক ঢোকালে বা পিসিতে পেনড্রাইভ ঢোকালে সেগুলো নিজে নিজেই চালু হয়ে যায় বা কিভাবে আপনি তা চালু করবেনতা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে। প্রথমত এই অটোরানের সুযোগ নেয় ভাইরাসগুলো।আপনি যদি এইসব ড্রাইভগুলোর
প্রপার্টিতে গিয়ে অটোরান ট্যাব থেকে অটোরান বন্ধ করে দেন; এর পরও
ভাইরাসগুলো ঢোকে তখন যখন আপনি মাইকম্পিউটারে গিয়ে সেই ড্রাইভ খোলার জন্য তারউপর ডাবল ক্লিক করেন। এর কারনহলো পেনড্রাইভের ভেতরে যদি কোন ভাইরাস
থাকে তাহলে সে পেন ড্রাইভের ভেতরে (রুটে) একটি অটোরান নামের আই.এন.এফ ফাইলতৈরী করে রাখে। এই ফাইলে পেন ড্রাইভেরওপেন করা মাত্রই যাতে ভাইরাসটি পিসিতেঢুকে যায় সেই নির্দেশ দেয়া থাকে।

পেনড্রাইভের মাধ্যমে ছাড়ানো ভাইরাসগুলোর থেকে আপনার পিসিকে যদি মুক্ত রাখতে চান তাহলে নিচের এই সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন
তাহলেই সব সমস্যার সমাধান ...
USB Disk Security


Back To Top